উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
রাশিয়া ও ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন অর্থনৈতিক চাপ আরও দীর্ঘায়িত ও বিস্তৃত হলো। ইরানের ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়িয়ে ২০৩১ সাল পর্যন্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে রাশিয়ার তেল-গ্যাসের বড় ক্রেতা দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ এবং রাশিয়া থেকে সরাসরি আমদানি করা কিছু পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে দেওয়ার বিধান আইনে রাখা হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এইচ.আর. ৫৩৩৪—‘Lindsey O. Graham Sanctioning Russia and Iran Act of 2026’-এ স্বাক্ষর করে এটিকে আইনে পরিণত করেন। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, আইনটি রাশিয়া ও ইরানের বিরুদ্ধে বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা ও অন্যান্য বিধিনিষেধ সম্প্রসারণের পাশাপাশি নতুন শুল্ক ও নিষেধাজ্ঞার আইনি ক্ষমতা তৈরি করেছে। নতুন আইনটি একদিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা কাঠামোকে আরও পাঁচ বছর বহাল রাখছে, অন্যদিকে রাশিয়ার জ্বালানি খাত ও রুশ তেল-গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল দেশগুলোর বিরুদ্ধে মার্কিন প্রশাসনের হাতে নতুন অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের সুযোগ দিচ্ছে। ফলে এর প্রভাব শুধু ওয়াশিংটন-মস্কো বা ওয়াশিংটন-তেহরান সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যেও পড়তে পারে। আইনটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো Iran Sanctions Act of 1996-এর মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়ানো। মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, এই আইনের মাধ্যমে ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিদ্যমান আইনি কর্তৃত্ব ২০৩১ সাল পর্যন্ত বহাল থাকবে। হোয়াইট হাউসের আইনসংক্রান্ত নথিতেও ইরান নিষেধাজ্ঞা আইনের মেয়াদ পাঁচ বছর বাড়ানোর বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। ১৯৯৬ সালের এই আইনের আওতায় ইরানের জ্বালানি খাত, নির্দিষ্ট কিছু লেনদেন এবং দেশটির অস্ত্র সক্ষমতা ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার ব্যবস্থা রয়েছে। নতুন আইনের ফলে এসব নিষেধাজ্ঞা কাঠামোর আইনি ভিত্তি আরও পাঁচ বছর অব্যাহত থাকবে। অর্থাৎ, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা নীতির সময়সীমা ২০২৬ সালে শেষ হওয়ার পরিবর্তে ২০৩১ সাল পর্যন্ত সম্প্রসারিত হলো। এর ফলে পরবর্তী কয়েক বছরেও মার্কিন প্রশাসনের হাতে ইরানের জ্বালানি ও সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগের আইনি ভিত্তি থাকবে। আইনটির সবচেয়ে বিস্তৃত অংশ রাশিয়ার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর সঙ্গে সম্পর্কিত। এতে রাশিয়ার জ্বালানি খাত, প্রতিরক্ষা-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে তেল পরিবহনে ব্যবহৃত জাহাজ ও নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। বিশেষ করে রাশিয়ার তেল ও গ্যাসের বড় ক্রেতা দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নতুন বিধানটি গুরুত্বপূর্ণ। আইন অনুযায়ী, রাশিয়ার তেল বা গ্যাসের বড় ক্রেতা দেশগুলোর পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা প্রেসিডেন্টকে দেওয়া হয়েছে। একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে রাশিয়ার বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সহায়তাকারী দেশ বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও। এ বিধান কার্যকর করা হলে রাশিয়ার জ্বালানি কিনছে—এমন বড় আমদানিকারক দেশগুলোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তাদের পণ্যের প্রবেশ আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠতে পারে। তবে আইনে ক্ষমতা দেওয়ার অর্থ এই নয় যে প্রতিটি দেশ বা পণ্যের ওপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। কোন দেশের ওপর কখন এবং কী মাত্রায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা পরবর্তী সময়ে মার্কিন প্রশাসনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। নতুন আইনে রাশিয়া থেকে সরাসরি আমদানি করা পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের অনুমোদনও রাখা হয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম রয়েছে। রুশ ইউরেনিয়াম—যা যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়—এবং কিছু মেডিকেল আইসোটোপের মতো নির্দিষ্ট পণ্য এই ব্যবস্থার বাইরে রাখা হয়েছে। ফলে আইনটি একদিকে রাশিয়ার ওপর বাণিজ্যিক চাপ বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব পারমাণবিক জ্বালানি ও চিকিৎসা খাতের প্রয়োজনীয় সরবরাহ যাতে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়েও কিছু ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার ক্ষেত্রে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তেল পরিবহনে ব্যবহৃত কথিত ‘শ্যাডো ফ্লিট’। রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা ও মূল্যসীমা এড়িয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল পরিবহনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজ, মধ্যস্থতাকারী ও আর্থিক নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নতুন আইনে রাখা হয়েছে। এর ফলে রাশিয়ার তেল রপ্তানির সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও পরিবহন নেটওয়ার্কের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতা আরও বাড়তে পারে। আইনটি একই সঙ্গে রাশিয়ার জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা দেয়। আইনটি মার্কিন কংগ্রেসে উল্লেখযোগ্য দ্বিদলীয় সমর্থন নিয়ে পাস হয়েছে। সিনেটে ৭ আগস্ট ৮৬-১১ ভোটে আইনটি পাস হয়। এরপর প্রতিনিধি পরিষদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২৬২-১৫৯ ভোটে সিনেটের সংশোধিত সংস্করণ অনুমোদন করে। প্রতিনিধি পরিষদের ভোটের সরকারি রেকর্ডেও ২৬২টি ‘ইয়েস’ এবং ১৫৯টি ‘নো’ ভোটের তথ্য রয়েছে। এরপর বিলটি প্রেসিডেন্টের কাছে পাঠানো হয় এবং ১৮ সেপ্টেম্বর ট্রাম্প এতে স্বাক্ষর করেন। হোয়াইট হাউসের ঘোষণায় একই দিন আইনটি কার্যকর করার কথা নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদের ভোটে রিপাবলিকানদের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ডেমোক্র্যাট সদস্যও আইনটির পক্ষে ভোট দেন। এ বিষয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, প্রতিনিধি পরিষদে ২৬২-১৫৯ ভোটে বিলটি অনুমোদিত হওয়ার পর এটি ট্রাম্পের স্বাক্ষরের জন্য যায়। আইনটির নামকরণ করা হয়েছে প্রয়াত রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে ও. গ্রাহাম-এর নামে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞার পক্ষে গ্রাহাম দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন কংগ্রেসে সক্রিয় ছিলেন এবং এই আইনটির প্রণয়ন ও আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। হোয়াইট হাউসের নথিতে আইনটির পূর্ণ নাম “Lindsey O. Graham Sanctioning Russia and Iran Act of 2026” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আইনটি এমন সময়ে চূড়ান্ত অনুমোদন পেল, যখন রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে মস্কোর ওপর মার্কিন ও পশ্চিমা অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রয়েছে। নতুন আইনের মাধ্যমে রাশিয়ার জ্বালানি আয়ের ওপর চাপ বাড়ানোর পাশাপাশি রুশ জ্বালানি আমদানিকারক দেশগুলোকেও পরোক্ষভাবে মার্কিন নীতির আওতায় আনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। নতুন আইনের সবচেয়ে আলোচিত দিকগুলোর একটি হলো রাশিয়ার তেল ও গ্যাসের বড় ক্রেতা দেশগুলোর ওপর সম্ভাব্য শুল্ক। বিশ্বের বড় অর্থনীতির কয়েকটি দেশ রাশিয়ার জ্বালানি আমদানির সঙ্গে যুক্ত। নতুন আইনের বিধান তাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্কের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে যেসব দেশ রাশিয়ার জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রাখে, তাদের পণ্যের ওপর মার্কিন বাজারে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে আইনে প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতা দেওয়ার বিষয়টি এবং বাস্তবে সেই ক্ষমতা প্রয়োগ—দুটি আলাদা বিষয়। ফলে আইন পাস হওয়া মানেই নির্দিষ্ট কোনো দেশের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়ে গেছে—এমন নয়। প্রেসিডেন্ট ও তাঁর প্রশাসন পরবর্তী সময়ে কোন দেশকে রাশিয়ার ‘বড় ক্রেতা’ হিসেবে বিবেচনা করবে, কোন পণ্যের ওপর কত শুল্ক আরোপ করবে এবং কোন ক্ষেত্রে ছাড় বা ব্যতিক্রম দেবে—এসব সিদ্ধান্তের ওপর বাস্তব প্রভাব নির্ভর করবে। ইরানের ক্ষেত্রে নতুন আইনের তাৎপর্য মূলত নিষেধাজ্ঞার আইনি ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা। মার্কিন প্রশাসন বলছে, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা, অস্ত্র কর্মসূচি এবং সন্ত্রাসবাদে সমর্থন ঠেকাতে নিষেধাজ্ঞা একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। ২০২৬ সালের জুলাইয়ে প্রশাসনের দেওয়া নীতিপত্রে ইরান নিষেধাজ্ঞা আইনের মেয়াদ পাঁচ বছর বাড়ানোর বিষয়টি স্পষ্টভাবে সমর্থন করা হয়েছিল। অন্যদিকে তেহরান দীর্ঘদিন ধরেই মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে আসছে এবং এগুলোকে অর্থনৈতিক চাপ হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছে। ফলে নতুন আইনের মাধ্যমে ওয়াশিংটন-তেহরানের অর্থনৈতিক বিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি কাঠামো আরও পাঁচ বছর বহাল থাকল। নতুন আইনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসতে পারে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যে। রাশিয়া বিশ্বের অন্যতম বড় তেল ও গ্যাস রপ্তানিকারক দেশ হওয়ায় তার জ্বালানি রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত দেশ, প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও পরিবহন নেটওয়ার্কের ওপর অতিরিক্ত বিধিনিষেধ আরোপ করা হলে সরবরাহ ব্যবস্থা ও বাণিজ্যিক হিসাব-নিকাশে পরিবর্তন আসতে পারে। বিশেষ করে রাশিয়ার তেলের বড় ক্রেতা দেশগুলোর পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে ওয়াশিংটনের বাণিজ্যিক সম্পর্কেও চাপ তৈরি হতে পারে। তবে আইনের সম্ভাব্য প্রভাব নির্ভর করবে এর প্রয়োগের ধরন, প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্ত, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর প্রতিক্রিয়া এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের পরিস্থিতির ওপর। আইনটি প্রেসিডেন্টকে বিস্তৃত ক্ষমতা দিলেও প্রতিটি ক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা আইনটি নিজে নির্দিষ্ট করে দেয়নি। সামগ্রিকভাবে নতুন আইনটি তিনটি ক্ষেত্রে মার্কিন প্রশাসনের ক্ষমতা বাড়িয়েছে—ইরানের বিরুদ্ধে বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ দীর্ঘায়িত করা, রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার পরিধি বিস্তৃত করা এবং রুশ জ্বালানি বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত তৃতীয় দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের সুযোগ তৈরি করা। হোয়াইট হাউসের ভাষ্য অনুযায়ী, আইনটি রাশিয়া ও ইরানের বিরুদ্ধে ‘statutory sanctions, tariffs, and prohibitions’ অনুমোদন ও সম্প্রসারণ করেছে এবং ইরানের বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা বাড়িয়েছে। ফলে ১৮ সেপ্টেম্বর ট্রাম্পের স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাশিয়া ও ইরানবিষয়ক নিষেধাজ্ঞা নীতিতে একটি নতুন আইনি কাঠামো যুক্ত হলো। এর বাস্তব প্রভাব এখন নির্ভর করবে মার্কিন প্রশাসন এই নতুন ক্ষমতাগুলো কীভাবে প্রয়োগ করে এবং রাশিয়া, ইরান ও সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক অংশীদার দেশগুলো তার জবাবে কী পদক্ষেপ নেয় তার ওপর।ইরানের নিষেধাজ্ঞা ২০৩১ সাল পর্যন্ত
রাশিয়ার বিরুদ্ধে বাড়ছে অর্থনৈতিক চাপ
সরাসরি রুশ পণ্যে ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক
তেল পরিবহনের ‘শ্যাডো ফ্লিট’ও লক্ষ্যবস্তু
কংগ্রেসে বড় ব্যবধানে পাস
প্রয়াত লিন্ডসে গ্রাহামের নামে আইন
রাশিয়ার তেল কিনছে যেসব দেশ
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব
আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে সম্ভাব্য প্রভাব
ওয়াশিংটনের হাতে আরও বিস্তৃত ক্ষমতা