উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
আজ
২৮ সেপ্টেম্বর কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকরের জন্মদিন।
১৯২৯ সালে ভারতের ইন্দোরে
জন্ম নেওয়া এই শিল্পী সাত
দশকের বেশি সময় ধরে
সংগীতজগতে অসামান্য অবদান রেখেছেন। ২০২২ সালের ৬
ফেব্রুয়ারি ৯২ বছর বয়সে
মারা যান তিনি। জন্মদিনে
জেনে নেওয়া যাক তাঁর জীবনের
১০টি জানা-অজানা তথ্য।
১.
পাঁচ বছর বয়সেই অভিনয়ে
মাত্র পাঁচ বছর বয়সে
বাবার সংগীতনাট্যে অভিনয়ের মাধ্যমে মঞ্চে পা রাখেন লতা।
তাঁর বাবা পণ্ডিত দীননাথ
মঙ্গেশকর ছিলেন শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী ও মঞ্চ অভিনেতা।
২.
নাম ছিল হেমা
জন্মের পর তাঁর নাম
রাখা হয়েছিল ‘হেমা’। পরে
বাবার নাটক ‘ভাও বন্ধন’-এর
‘লতিকা’ চরিত্রের নাম অনুসারে তাঁর
নাম হয় লতা।
৩.
পদবি বদলে হয় মঙ্গেশকর
মঙ্গেশকর পরিবারের মূল পদবি ছিল
‘হার্দিকর’। দীননাথ হার্দিকর
পরিবর্তন করে ‘মঙ্গেশকর’ পদবি
গ্রহণ করেন।
৪.
ক্যারিয়ারের
শুরু মারাঠি গানে
১৯৪২ সালে মারাঠি গান
দিয়ে সংগীতজীবন শুরু করেন লতা।
১৯৪৬ সালে ‘আপ কি সেবা
মে’ ছবির জন্য প্রথম
হিন্দি গান করেন। পরে
‘মজবুর’ ছবির গান তাঁকে
বড় পরিচিতি এনে দেয়।
৫.
গেয়েছেন
নানা ধারার গান
শাস্ত্রীয় সংগীত, রোমান্টিক গান, গজল থেকে
ভজন—প্রায় সব ধরনের গানেই
ছিল তাঁর স্বচ্ছন্দ বিচরণ।
ভারতের বহু খ্যাতিমান সুরকারের
সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি।
৬.
হাজার
হাজার
গান
লতা মঙ্গেশকরকে ‘নাইটিঙ্গেল অব ইন্ডিয়া’ বলা
হয়। তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারে
বিভিন্ন ভাষায় হাজার হাজার গান রেকর্ড করা
হয়েছে।
৭.
মোহাম্মদ
রফির সঙ্গে মতবিরোধ
গানের রয়্যালটি নিয়ে মতবিরোধের জেরে
একসময় মোহাম্মদ রফির সঙ্গে তাঁর
প্রায় তিন বছর কোনো
গান রেকর্ড হয়নি। পরে তাঁরা আবার
একসঙ্গে গান করেন। তবে
এ ঘটনা নিয়ে দুই
পক্ষের বক্তব্যে পার্থক্যও রয়েছে।
৮.
আশা ভোসলে সঙ্গে মনোমালিন্য
বোন আশা ভোসলের সঙ্গেও
একসময় লতার সম্পর্কের অবনতি
হয়েছিল। পরে আশা ভোসলে
ও লতার পারিবারিক ও
পেশাগত সম্পর্ক আবার স্বাভাবিক হয়।
৯.
রাজ্যসভার
সদস্য
ছিলেন
১৯৯৯ সালে লতা মঙ্গেশকর
ভারতের রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে মনোনীত হন। তবে অসুস্থতার
কারণে নিয়মিত অধিবেশনে উপস্থিত হতে পারেননি তিনি।
১০. বাংলাতেও অমর কণ্ঠ
বাংলা ভাষাতেও অসংখ্য জনপ্রিয় গান গেয়েছেন লতা
মঙ্গেশকর। ‘প্রেম একবার এসেছিল নীরবে’, ‘আষাঢ়-শ্রাবণ মানে
না তো মন’, ‘ও
মোর ময়না গো’ ও
‘আকাশপ্রদীপ জ্বেলে’ তাঁর গাওয়া উল্লেখযোগ্য
বাংলা গান।