উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার ভোলাব ইউনিয়নের পাইসকা গ্রামে রিপন মিয়া (৪৫) নামে যুবদলের এক নেতাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। নিহত রিপন মিয়া ভোলাব ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সহসভাপতি ছিলেন। তাঁর বাবার নাম শহীদুল্লাহ। তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক। তাঁর দুই ছেলের নাম শাওন ও শাহিন এবং মেয়ের নাম শিলা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি ওয়াজ মাহফিলের পোস্টারে নাম না দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ চলছিল। এরই জেরে রাত ১১টার দিকে দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে একদল লোক রিপন মিয়ার ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় কাজী তানভীর, রিফাত কাজী, সারোয়ার খান, কাজী আমিরুল, কাজী কামরুল, কাজী কবির ও তৌহিদ ফরাদের নাম অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁদের নেতৃত্বে ৬০ থেকে ৭০ জনের একটি দল হামলায় অংশ নেয় বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের পরিবার।
স্থানীয় সূত্রের জানা যায় নিহত রিপন মিয়া দিপু ভূঁইয়ার রাজনৈতিক প্যানেলের অনুসারী ছিলেন। অন্যদিকে, অভিযুক্তরা কাজী মনিরের রাজনৈতিক প্যানেলের সঙ্গে যুক্ত। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ চলছিল বলে জানা গেছে। তবে দুই পক্ষের লোকজনই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে।
এদিকে, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একজন মানুষকে এভাবে প্রাণ দিতে হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও শোক বিরাজ করছে। স্থানীয় সাধারণ মানুষ বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য কিংবা কোনো অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে এমন হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই কাম্য নয়। মানুষের জীবন কেড়ে নেয়, এমন রাজনীতি তাঁরা চান না।
এলাকাবাসী এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁরা ভবিষ্যতে এ ধরনের সহিংসতা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
এই বিষয়ে রূপগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ এইচ এম সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন। এ বিষয়ে থানায় এখনো কোন লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। তবে ঘটনাস্থলে আমি পুলিশ পাঠিয়েছি। এবং নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।